অর্থমন্ত্রক
azadi ka amrit mahotsav

আন্তর্জাতিক সমবায় বর্ষ ২০২৫ উপলক্ষে ন্যাবার্ড পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যস্তরের সমবায় কনক্লেভ

প্রকাশিত: 18 NOV 2025 6:14PM by PIB Kolkata

কলকাতা, ১৮ নভেম্বর, ২০২৫

 

আন্তর্জাতিক সমবায় বর্ষ ২০২৫ উদযাপনকে সামনে রেখে ন্যাশনাল ব্যাংক ফর অ্যাগ্রিকালচার অ্যান্ড রুরাল ডেভেলপমেন্ট (NABARD)-এর পশ্চিমবঙ্গ আঞ্চলিক দপ্তরের উদ্যোগে রাজ্যস্তরের সমবায় কনক্লেভ অনুষ্ঠিত হল আজ কলকাতার নিউ টাউনে।
 অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রায় ১৫০-রও বেশি নীতি-নির্ধারক, সমবায় নেতৃত্ব এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রের বিশেষজ্ঞরা। এবারের কনক্লেভের মূল বিষয় ছিল “Cooperatives Build a Better World”, অর্থাৎ, সমবায় আর-ও উন্নত বিশ্ব গড়ে তোলে।

সমবায় সাফল্যের কাহিনী ও কফি টেবিল বুক প্রকাশের অধীন
রাজ্যের সমবায় ব্যবস্থার উল্লেখযোগ্য সাফল্য তুলে ধরে এদিন প্রকাশিত হয় একটি কফি টেবিল বুক, যেখানে পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন সমবায় প্রতিষ্ঠানের অর্জন ও উদ্ভাবনী দৃষ্টান্ত স্থান পেয়েছে। পাশাপাশি, অনুষ্ঠিত হয় একাধিক থিম্যাটিক সেশন ও আলোচনাচক্র।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন—শ্রী
 প্রদীপ কুমার মজুমদার, মন্ত্রী সমবায় ও পঞ্চায়েত এবং গ্রামোন্নয়ন দপ্তর, পশ্চিমবঙ্গ সরকার, শ্রী নিরঞ্জন কুমার, রেজিস্ট্রার অফ কো-অপারেটিভ সোসাইটি, পশ্চিমবঙ্গ, শ্রী শান্তনু দাস, ডিরেক্টর, কারেকটিভ অডিট, পশ্চিমবঙ্গ, শ্রী পি. কে. ভরদ্বাজ, চিফ জেনারেল ম্যানেজার, NABARD, পশ্চিমবঙ্গ আঞ্চলিক দপ্তর প্রমুখ।

ন্যাবার্ডের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত
অতিথিদের স্বাগত জানিয়ে শ্রী পি. কে. ভারতদ্বাজ বলেন, ন্যাবার্ড সমবায় প্রতিষ্ঠানগুলিকে আর্থিক সহায়তা, প্রযুক্তিগত উন্নয়ন এবং সক্ষমতা বৃদ্ধির মাধ্যমে আরও শক্তিশালী করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তিনি ডিজিটাইজেশন, উদ্ভাবন এবং স্বচ্ছতাকে গ্রামীণ সমৃদ্ধির প্রধান চালিকা শক্তি হিসেবে তুলে ধরেন।

অনুষ্ঠানে কম্পিউটারাইজেশন ও প্রযুক্তি গ্রহণে বিশেষ ভূমিকার জন্য পাঁচটি সেরা জেলা কেন্দ্রীয় সমবায় ব্যাংক (DCCB) এবং বেশ কয়েকটি PACS-কে সম্মানিত করা হয়।

মন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে বলেন, অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন এবং গ্রামীণ অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতায় সমবায় প্রতিষ্ঠানের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি ন্যাবার্ডের ঝণ সহায়তা, পরিকাঠামো উন্নয়ন, PACS কম্পিউটারাইজেশন, গ্রীন বিল্ডিং উদ্যোগ, ডিজিটাইজেশন ও দ্রুত অডিট ব্যবস্থার প্রশংসা করেন। তিনি আরও জানান, সমবায় কর্মীদের প্রশিক্ষণ, দক্ষতা বৃদ্ধি, যুব অংশগ্রহণ এবং সক্ষমতা উন্নয়নে ন্যাবার্ডের বিস্তৃত সহযোগিতা সময়ের দাবি।

শ্রী নিরঞ্জন কুমার রাজ্যজুড়ে সমবায় নির্বাচন, প্রশিক্ষণ কার্যক্রম, PACS-এর কম্পিউটারাইজেশন এবং দ্রুত ডিজিটাল অডিটের ফলে সমবায় শাসনব্যবস্থা আরও শক্তিশালী হয়েছে বলে মন্তব্য করেন। তিনি আন্তর্জাতিক সমবায় বর্ষ ২০২৫-কে সামনে রেখে MPACS-এর কাঠামোগত উন্নয়নে ন্যাবার্ডের ভূমিকা বিশেষভাবে উল্লেখ করেন।

এদিনের আলোচনা শেষ হয় রাজ্যের সমবায় ব্যবস্থায় ডিজিটাল রূপান্তর আরও জোরদার করা, উন্নত শাসনব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা এবং যুবসমাজকে ব্যাপকভাবে যুক্ত করার আহ্বানের মধ্য দিয়ে।
এই সব উদ্যোগ জাতীয় সমবায় নীতি ২০২৫ এবং রাষ্ট্রসংঘের সুস্থায়ী উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার সঙ্গেও সামঞ্জস্যপূর্ণ।


*******


SSS/ 18, 11.25.....


(রিলিজ আইডি: 2191478) ভিজিটরের কাউন্টার : 15
এই রিলিজটি পড়তে পারেন: English